
White Lotus - পদ্মের মনভোলানো নিখাদ সুবাস
রিজিয়ন: ইন্ডিয়া
সাদা পদ্মের সেই রাজকীয়তা
হোয়াইট লোটাসের ঘ্রাণ প্রথম নিঃশ্বাসেই তার অপূর্ব, মন মাতানো মিষ্টতা দিয়ে আপনার মনোযোগ কেড়ে নেবে। পদ্মের সেই স্নিগ্ধ প্রশান্তি লেগে থাকে পুরো গন্ধ জুড়ে, সাথে থাকে নরম, ফুলেল একটা মিষ্টতা। এর ভেতরেই লুকিয়ে থাকে যষ্টিমধুর মিষ্টি আভাস, রং-পেন্সিলের মোমের ছোঁয়া আর খাঁটি মধুর গন্ধ। কখনো মনে হবে গাঢ় ফলের জ্যামের মিষ্টি, আবার পরক্ষণেই কাঠবাদাম, দারুচিনি আর কারুন্দে ফুলের এক গভীর আবেশ। শুনতে একটু অদ্ভুত লাগলেও, এই উষ্ণ সুবাসটা সত্যি আপন করে নেওয়ার মতো দেয়। তাই যারা সাধারণের বাইরে গিয়ে লাক্সারিয়াস এবং মনোমুগ্ধকর ধাঁচের কিছু খুঁজছেন, তাদের কাছে এই হোয়াইট লোটাস এক্সিলেন্ট চয়েজ।
- লং-লাস্টিং
- ১২ ঘণ্টা
- জেন্ডার
- ইউনিসেক্স
- ডেলিভারির সময় টেস্টিং বোতল। পছন্দ না হলে মেইন বোতল না খুলেই রিটার্ন।
- ক্যাশ অন ডেলিভারি
- ফাস্ট সাপোর্ট
যেভাবে ছড়ায়
এই সুগন্ধের পেছনে
হোয়াইট লোটাস বা সাদা পদ্ম প্রধানত ভারতসহ দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ার ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় অঞ্চলের জলাশয়, পুকুর ও নিচু জলাভূমিতে প্রাকৃতিকভাবে জন্মায়। বৈজ্ঞানিক নাম Nelumbo nucifera।
পারফিউমারিতে এই খাঁটি পদ্মের সুগন্ধি নির্যাস ব্যবহৃত হয় সোলিফ্লোর বা ব্লেন্ড হিসেবে, বিশেষত হাই-এন্ড ওরিয়েন্টাল আর গ্রিন-ফ্লোরাল কম্পোজিশনে। ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী আতর থেকে শুরু করে আধুনিক লাক্সারি নিশ ফ্র্যাগ্রেন্স, সবখানেই এর ব্যবহার এখন নিয়মিত। কসমেটিকস, হেয়ার কেয়ার আর বাথ প্রোডাক্টেও এর উপস্থিতি বাড়ছে সমানতালে, সিরাম-ক্রিম থেকে স্ক্যাল্প অয়েল, লাক্সারি বাথ সোক পর্যন্ত।
আর এই ব্যবহারের পেছনের কারণটাও লুকিয়ে আছে ওই গন্ধের গভীরেই। এই নির্যাসে মিশে থাকে যষ্টিমধুর মিষ্টি আভাস, রং-পেন্সিলের মোমের ছোঁয়া, খাঁটি মধু, কখনো গাঢ় ফলের জ্যাম, কখনো কাঠবাদাম আর দারুচিনির এক গভীর আবেশ। আরেকটু গভীরে নামলে ধরা পড়ে হালকা মাটির গন্ধ আর পাউডারের মোলায়েম ছোঁয়া, যা মিলিয়ে দেয় এক প্রশান্ত, মার্জিত অনুভূতি। এত রকম নোটের এই জটিল মেলবন্ধনই একে অন্য যেকোনো ফুলের তেল থেকে আলাদা করে তুলেছে, আর ঠিক এই কারণেই পারফিউম মেকারদের কাছে এর কদর এত বেশি। দেখতে এই নির্যাস কিছুটা ইট-কমলা রঙের, ছোঁয়ায় ঘন, আর শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্যচর্চায় এর যে সুনাম, তা মোটেও কাকতালীয় না।
অনুভূতির ফ্রেমে যদি পদ্মের ঘ্রাণ আঁকি, তাহলে এভাবে কল্পনা করা যায়।
ভোরে সুর্যের রক্তিমতা যখন পানি ছুঁয়ে ঝির ঝির বাতাসে ভর করে গায়ে এসে লাগে, প্রাণজুড়ানো সতেজতা। সাদা পাপড়ির কোমল স্নিগ্ধ মিষ্টতা মিশে থাকে তাতে, সঙ্গে পাউডারের মতো নরম একটা সূক্ষ্ম ছোঁয়া। আর এই সবটুকু জড়িয়ে থাকে জলজ নিজস্ব এক সতেজতায়।
আরোয়া আপনাদের জন্য নিয়ে এসেছে এই এ-গ্রেড হোয়াইট লোটাস অ্যাবসোলিউট, যাতে আপনি ঘরে বসেই অনুভব করতে পারেন এই বিলাসী সুবাসের আসল রূপ। প্রতিটা বোতলে ধরা আছে শতাব্দীর ঐতিহ্য আর প্রকৃতির খাঁটি রূপ, তাই একবার ব্যবহার করলেই বুঝবেন কেন এই সুবাস এত মূল্যবান।
কীভাবে লাগাবেন
এক ফোঁটাই যথেষ্ট
আতর অনেক স্ট্রং। কব্জিতে এক ফোঁটাই অনেকক্ষণ থাকে।
পালস পয়েন্টে
কব্জি, ঘাড়ের পাশে বা কানের পেছনে লাগান। শরীরের গরমে ঘ্রাণ ছড়াবে।
ঘষবেন না
লাগানোর পর ঘষবেন না। আলতো করে ছুঁয়ে দিন।
ঠান্ডা ও অন্ধকারে রাখুন
রোদ থেকে দূরে রাখলে অনেক বছর ভালো থাকে।
রিভিউ
ক্রেতারা যা বলছেন
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।




