
Dehn Al Oud Sylheti - খাঁটি উদ, পরিপক্ব ঘ্রাণপ্রেমীদের সবচেয়ে প্রিয়
রিজিয়ন: Sylheti
উদ ভালো লাগছে? তাহলে নাক ম্যাচিউর হয়ে গেছে
ঘ্রাণের জগতে যাঁদের বিচরণ বহুদিনের, ঘ্রাণ নিতে নিতে যাঁদের নাক ম্যাচিউরিটি লেভেলে পৌঁছে গেছে, তাঁরা প্রত্যেকেই উদ পছন্দ করেন। এটা এক্সপেরিয়েন্সের পর হয়, ইনস্ট্যান্ট অনুভূতি দিয়ে জাজ করার জিনিস না। আর উদের ভেতরেও ধাপ আছে। কোথাকার কাঠ, কীভাবে ডিস্টিল, সব মিলিয়ে ঘ্রাণ বদলে যায়।আমাদের সিলেটি উদ সেই ওয়ার্ল্ডক্লাস আইটেম, যা দুনিয়ার সবচেয়ে দামি পারফিউম হাউসগুলোও খোঁজে। শৌখিন থেকে ট্রেইনড নোজ, সব Ouddict সিলেটি উদে আটকে যান।
- জেন্ডার
- ইউনিসেক্স
- ডেলিভারির সময় টেস্টিং বোতল। পছন্দ না হলে মেইন বোতল না খুলেই রিটার্ন।
- ক্যাশ অন ডেলিভারি
- ফাস্ট সাপোর্ট
যেভাবে ছড়ায়
এই সুগন্ধের পেছনে
উদ শব্দটার মানে
আরবিতে "উদ" (العود) মানে কাঠ। সহজ শব্দ, অথচ পেছনে দাঁড়িয়ে আছে দুই হাজার বছরের ইতিহাস। প্রথম শতাব্দী থেকেই মধ্যপ্রাচ্য আর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংস্কৃতিতে এর শিকড়।
সিলেটি উদ আসলে কী
অ্যাকুইলারিয়া গাছ কোনো এক বিশেষ ছত্রাকে আক্রান্ত হলে নিজেকে বাঁচাতে গাঢ় রেজিন ছাড়তে থাকে। সেই রেজিন কাঠের ভেতর জমতে জমতেই তৈরি হয় আগরউড। অনেকে একে বলেন তরল সোনা, কথাটা বাড়াবাড়ি না।
কাঠ কাটা হয়, চিপ করা হয়, শুকানো হয়। তারপর পানি আর বাষ্পে বসে ডেগ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কখনো টানা কয়েকদিন।
আমাদের দেশে এই কাজের কেন্দ্র মৌলভীবাজারের বড়লেখা, বিশেষ করে সুজানগর। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ আগর কারখানা ওই এক উপজেলাতেই। চলছে চারশো বছর ধরে, আর সুজানগরের গ্রামগুলোর বেশিরভাগ বাড়িতেই কোনো না কোনোভাবে এই কাজ হয়।
আসল কথাটা এবার বলি। এটা মিশ্রণ না, খালতা না। শুধু কাঠ, পানি আর আগুন। ডেগ থেকে যা নেমেছে, বোতলে ঠিক তাই। বেইজ অয়েল নেই, অ্যালকোহল নেই, বাইরের এক ফোঁটাও ঢোকেনি।
মধ্যপ্রাচ্যের চিকিৎসা আর ধর্মীয় আচারে উদ ব্যবহার হয়ে আসছে বহুকাল ধরে। এখন উদ মানেই আভিজাত্য।
ঘ্রাণ কেমন
উষ্ণ, তীব্র, মাটির সোঁদা গন্ধমাখা, ভেতরে হালকা একটা অ্যানিমালিক টান। যাঁরা বহুদিন সুগন্ধি নিয়ে ঘাঁটেন, তাঁরা তুলনা করেন সদ্য ভেজা মাটির সঙ্গে, খামারবাড়ির গন্ধের সঙ্গে, কিংবা রোদে শুকোতে দেওয়া খড়ের সঙ্গে। এক ফোঁটাই পুরো ঘরের আবহ বদলে দেয়।
কাঁচা এসেন্স বলেই ঘ্রাণটা স্তরে স্তরে খোলে, শুরু-মাঝ-শেষ তিন জায়গায় তিন রকম। মেশানো তেলে এই বদল পাবেন না, সেখানে গন্ধ প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত একরকমই থাকে। সিন্থেটিক উদ আবার পুরো আলাদা, অ্যানিমালিক ভাব কম, বেশি মিষ্টি আর বাদামের মতো।
দাম এত কেন
পারফিউমারিতে উদকে বলা হয় কালো সোনা। কারণ জিনিসটা দুর্লভ, জঙ্গলের দশটা গাছের মধ্যে মোটে একটাতে প্রাকৃতিকভাবে রেজিন জমে, আর সঠিক সংক্রমণ হতে বছরের পর বছর লেগে যায়।
দ্বিতীয় কারণ শ্রম। সবচেয়ে পুরু আর গাঢ় অংশটুকু হাতে খোদাই করে বেছে নিতে হয়, মেশিনে হয় না। এক বোতল বিশুদ্ধ উদের জন্য এক কেজি বা তারও বেশি আগরউড লেগে যেতে পারে। মেশানো তেল সস্তায় বানানো যায়, বিশুদ্ধ এসেন্স যায় না।
সিলেটের একটা বিশেষ দিক আছে। এখানে গাছে কৃত্রিম ইনজেকশন দেওয়ার চল নেই, গাছ নিজে থেকেই রেজিন তৈরি করে। সময় বেশি লাগে, জিনিসটা খাঁটি হয়।
শুধু পারফিউম না
মধ্যপ্রাচ্যে উদ ধূপ হিসেবেও ব্যবহার হয়। কয়লার ওপর আগরউডের টুকরো রেখে যে ঘন সুগন্ধি ধোঁয়া ওঠে, সেটা আরব ঘরে, ধর্মীয় আচারে আর উৎসবে বহুকালের চল। অতিথি এলে বাখুরদানি জ্বালানো ওখানকার আতিথেয়তার অংশ।
স্থায়িত্ব আর যত্ন
উদ নিজেই ফিক্সেটিভের কাজ করে, তাই ত্বকে এটাই শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে। কয়েক ঘণ্টা থেকে পুরো একটা দিন, কাপড়ে কখনো কয়েকদিন।
বিশুদ্ধ এসেন্স বলে সময়ের সঙ্গে এটা আরও ভালো হয়। বোতলে যত থাকবে ঘ্রাণ তত বসে আসবে, নরম হবে। রোদ আর গরম থেকে দূরে, ঠান্ডা অন্ধকার জায়গায় রাখুন।
আসল উদ চিনবেন কীভাবে
বাজারে নকলের অভাব নেই। আসল আগরউডের তেলে শুধু কাঠের গন্ধ থাকে না, থাকে স্তরে স্তরে বদলে যাওয়া জটিলতা। নকলে সেটা পাবেন না।
কীভাবে ব্যবহার করবেন
কব্জিতে বা কানের পেছনে এক ফোঁটাই যথেষ্ট। কাঁচা এসেন্স, ঘনত্ব অনেক বেশি, দুই ফোঁটা দিলে বাড়াবাড়ি হবে। মেখে ঘষবেন না, নিজে থেকে বসতে দিন।
কীভাবে লাগাবেন
এক ফোঁটাই যথেষ্ট
আতর অনেক স্ট্রং। কব্জিতে এক ফোঁটাই অনেকক্ষণ থাকে।
পালস পয়েন্টে
কব্জি, ঘাড়ের পাশে বা কানের পেছনে লাগান। শরীরের গরমে ঘ্রাণ ছড়াবে।
ঘষবেন না
লাগানোর পর ঘষবেন না। আলতো করে ছুঁয়ে দিন।
ঠান্ডা ও অন্ধকারে রাখুন
রোদ থেকে দূরে রাখলে অনেক বছর ভালো থাকে।
রিভিউ
ক্রেতারা যা বলছেন
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।




