যেকোনো প্রয়োজনে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন

Amber Oud - ঘ্রাণজগতের সবচেয়ে রাজকীয় মিশ্রণ

Amber Oud - ঘ্রাণজগতের সবচেয়ে রাজকীয় মিশ্রণ

কোমল ও মিষ্টি

রিজিয়ন: ইন্ডিয়া

ম্যাচিউরড ঘ্রাণপ্রেমীদের স্বপ্ন, এবার বাস্তবে

চিরদুর্লভ Amber আর মহামূল্য Oud, এই দুইয়ের ঘ্রাণ মিশ্রণ কি আসলে লিখে বোঝানো যায়? অ্যাম্বারের বালসামিক আইডেন্টিটির সঙ্গে ভ্যানিলার সুইটনেস, আর ক্যারামেলাইজড স্মোকি স্পাইসের ফিনিশিং। অন্যদিকে রত্নতুল্য উদের রাজকীয় উষ্ণ, তীব্র, মাটির সোঁদা গন্ধমাখা ঘ্রাণ, ভেতরে হালকা একটা অ্যানিমালিক টান। এই দুই যখন ঘ্রাণবন্ধনে একাকার হয়, তখন যে অপূর্ব সুবাসের রসায়ন তৈরি হয়, তা এক কথায় সেরা। কী, Amber Oud আতরের ঘ্রাণ কল্পনায় ডুবে গেলেন নাকি?

লং-লাস্টিং
৯ ঘণ্টা
জেন্ডার
ইউনিসেক্স
৳ ২,৫৯৯৩ মি.লি.
সাইজ
  • ডেলিভারির সময় টেস্টিং বোতল। পছন্দ না হলে মেইন বোতল না খুলেই রিটার্ন।
  • ক্যাশ অন ডেলিভারি
  • ফাস্ট সাপোর্ট
ফ্র্যাগরেন্স নোট

যেভাবে ছড়ায়

যেভাবে ছড়ায়শুরুমাঝেশেষে
শুরু · প্রথম ঘ্রাণWarm Amber, Sweet Vanilla, Smoky Spice
মাঝে · মূল ঘ্রাণBalsamic, Animalic, Caramel
শেষে · শেষ রেশRich Oud, Earthy, Woody
স্টোরি

এই সুগন্ধের পেছনে

এত জটিল ২ ঘ্রাণ কিংবদন্তীর একযোগ হওয়াটা কি সহজ কিছু ?

আসুন একটু বিস্তারিত জেনে বুঝে সুবাস নিই। 

অ্যাম্বার কী

সুগন্ধির দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি গুলিয়ে ফেলা শব্দটার নাম অ্যাম্বার। এই নাম নিয়ে বাস্তবের চেয়ে মিথিক্যাল তথ্যই বেশি চালু। ফসিলাইজড অ্যাম্বার। কনিফার গাছের রেজিন, লক্ষ লক্ষ বছরে জমে পাথর হয়ে যাওয়া। সোনালি আর স্বচ্ছ, গয়নার জন্য। ঘ্রাণ প্রায় নেই।

আম্বারগ্রিস। স্পার্ম হোয়েলের পরিপাকতন্ত্রে তৈরি হয়ে সমুদ্রে ভেসে বেড়ানো এক দুর্লভ পদার্থ। বছরের পর বছর রোদ আর লবণে পাল্টে গিয়ে হয়ে ওঠে মিষ্টি, নোনতা, অ্যানিম্যালিক। ক্লাসিক ফরাসি অ্যাম্বার অ্যাকর্ড। ল্যাবডানামের গাঢ় অ্যানিম্যালিক রেজিন, ভ্যানিলার ক্রিমি মিষ্টি, আর বেনজয়েনের বালসামিক উষ্ণতা, এই তিন মিলে তৈরি। বিশ শতকের শুরুতে ভ্যানিলিন সহজলভ্য হওয়ার পরেই জিনিসটা দাঁড়ায়।

উডি অ্যাম্বার। আধুনিক সিন্থেটিক অণু। কাঠের ঘ্রাণ, তবে সাধারণ উডি নোটের চেয়ে অনেক নরম আর মখমলি।

এখন আসল কথা। কোনো সুগন্ধির নোটে "অ্যাম্বার" লেখা দেখলে বেশিরভাগ সময় বোঝানো হয় তিন নম্বরটাকে, ওই ক্লাসিক অ্যাকর্ড। ল্যাবডানাম, ভ্যানিলিন আর বেনজয়েন, সাথে ইচ্ছেমতো টঙ্কা বা পেরু বালসামের মতো মিষ্টি রেজিন। গায়ে দিলে যা পাওয়া যায় সেটা ঘন, উষ্ণ, বালসামিক একটা মিষ্টি, আর ল্যাবডানামের চামড়াঘেঁষা অ্যানিম্যালিক আভাস তার নিচে চাপা থাকে।

আর নয়তো বোঝানো হয় সিন্থেটিক অ্যামব্রক্সানকে, যেটা আম্বারগ্রিসের বদলে এসেছে। এর চরিত্র একেবারে উল্টো দিকের। সোনালি, হালকা, প্রায় বাতাসি, সাথে নোনতা মেরিন একটা ছোঁয়া, আর ভেতরে আম্বারগ্রিসের অ্যানিম্যালিক গভীরতার হালকা রেশ।

আর সবচেয়ে মজার ব্যাপার, ওই অ্যাকর্ডের নামটা এসেছে পাথরের রঙ থেকে, গন্ধ থেকে না। সোনালি অ্যাম্বার দেখে মানুষ কল্পনা করেছিল, এর গন্ধ থাকলে বোধহয় এমন উষ্ণ আর মিষ্টিই হতো। সেই কল্পনাটাই আজ গোটা একটা ঘ্রাণপরিবার।

উদ আসলে কী

উদ হলো অ্যাকুইলারিয়া গাছের রেজিনভরা সারকাঠ। গাছটা ধীরে বাড়া চিরসবুজ প্রজাতির, যার আদি বাসস্থান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আর দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অঞ্চলের জঙ্গল। অ্যাকুইলারিয়া গোত্রের কয়েকটা প্রজাতি এটা তৈরি করতে পারে, মূলত Aquilaria malaccensis, Aquilaria crassna আর Aquilaria sinensis। আঘাত না পেলে এই গাছগুলো সাধারণ ফ্যাকাশে কাঠই দেয়, যাতে বিশেষ কোনো গন্ধ থাকে না।

উদ তৈরি হয় কেবল তখনই, যখন গাছটা অসুস্থ হয়।

পোকা, ছত্রাক কিংবা মানুষের ইচ্ছাকৃত কাটাকুটিতে অ্যাকুইলারিয়া আহত হলে গাছটা প্রতিরক্ষা হিসেবে নিজের সারকাঠের ভেতরে ঘন, গাঢ়, সুগন্ধি রেজিন তৈরি করতে শুরু করে। এই রেজিনই তার রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা। সময়ের সঙ্গে সংক্রমণ যত ছড়ায়, রেজিন তত আশপাশের কাঠে ছেয়ে যায়। পরিষ্কার ফ্যাকাশে কাঠ গাঢ় বাদামি হয়, তারপর কালো, ঘন আর তেলে ভারী। ওই সংক্রমিত, রেজিনে ভেজা কাঠটাকেই পারফিউমাররা বলেন উদ। বাণিজ্যে একে আগরউডও বলা হয়, ইন্দোনেশিয়ায় গাহারু, জাপানে জিনকো, আর পশ্চিমা পুরোনো বইপত্রে অ্যালোজউড।

সুস্থ একটা অ্যাকুইলারিয়া গাছ সারাজীবনেও এক ফোঁটা উদ তৈরি করে না। সংক্রমিত গাছ বাণিজ্যিক মানের উদ দেয় বছরের পর বছর ধীরে ধীরে রেজিন জমার পরেই। আর সবচেয়ে সেরা উদ, যেগুলোর জন্য সংগ্রাহকরা পাঁচ অঙ্কের দাম দিতে রাজি, সেগুলো আসে এমন গাছ থেকে যেগুলো দশকের পর দশক ধরে ধীরে ধীরে সংক্রমিত হয়েছে।

Amber-Oud

এতক্ষণ যা পড়লেন, সবটাই ইতিহাস আর রসায়ন। কিন্তু দুটো মিলে গায়ে কেমন লাগে, সেটা লেখা পড়ে বোঝার উপায় নেই।

আরোয়া নিয়ে এসেছে সেই Amber-Oud। এক দিকে অ্যাম্বারের উষ্ণ বালসামিক মিষ্টি, অন্য দিকে উদের গাঢ় মাটিঘেঁষা গভীরতা। দুটোই আলাদা করে কিংবদন্তি, আর একসঙ্গে বসলে যা দাঁড়ায় তার নাম দেওয়া কঠিন।

কবজিতে এক ফোঁটা দিন। বাকিটা নিজেই বুঝে যাবেন।

ব্যবহারের নিয়ম

কীভাবে লাগাবেন

০১

এক ফোঁটাই যথেষ্ট

আতর অনেক স্ট্রং। কব্জিতে এক ফোঁটাই অনেকক্ষণ থাকে।

০২

পালস পয়েন্টে

কব্জি, ঘাড়ের পাশে বা কানের পেছনে লাগান। শরীরের গরমে ঘ্রাণ ছড়াবে।

০৩

ঘষবেন না

লাগানোর পর ঘষবেন না। আলতো করে ছুঁয়ে দিন।

০৪

ঠান্ডা ও অন্ধকারে রাখুন

রোদ থেকে দূরে রাখলে অনেক বছর ভালো থাকে।

রিভিউ

ক্রেতারা যা বলছেন

এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।

আপনার পছন্দ হতে পারে

আরও আতর