
আগরকাঠ - সিলেটি | AAA ট্রিপল সুপার
রিজিয়ন: সিলেট
পারফরম্যান্সই প্রমাণ করে, এটা উদ সাম্রাজ্যের শাহেনশাহ
উত্তপ্ত কয়লার স্পর্শে Oud Chips থেকে উতলে ওঠা বুদবুদে রেজিন যখন পুড়ে ধূসর ধোঁয়া ছড়ায়, ঘ্রাণে মনে হয় যেন আভিজাত্য ঘেরা এক নস্টালজিক আবেশ জেগে উঠেছে। সন্দেহের প্রশ্নই থাকে না, রেজিনের এই স্যাচুরেশন আর ধোঁয়ার পারফরম্যান্স একমাত্র Triple Super গ্রেডেরই আত্মপ্রকাশ। গভীর, উষ্ণ, রেজিনাস এক ধোঁয়াটে আবেশ। আরব লাক্সারি সংস্কৃতির সেই আমেজ এখন মডার্ন দুনিয়াতেও তুমুল জনপ্রিয়।
- গ্রাম হিসেবে বিক্রি। পাঠানোর আগে প্রতিটি লট মেপে সিল করা হয়।
- ক্যাশ অন ডেলিভারি
- ফাস্ট সাপোর্ট
এই সুগন্ধের পেছনে
সিলেটি আগর-উদ
আগরউড কোনো সাধারণ সুগন্ধি কাঠ নয়। অ্যাকুইলারিয়া গাছ যখন বিশেষ এক ছত্রাকে আক্রান্ত হয়, তখন নিজেকে বাঁচাতে গাঢ় রেজিন ছাড়তে থাকে। বছরের পর বছর সেই রেজিন কাঠের ভেতর জমতে জমতেই তৈরি হয় আগরউড। জঙ্গলের দশটা গাছের মধ্যে মোটে একটাতে এটা প্রাকৃতিকভাবে ঘটে, আর এই দুর্লভতাই একে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি কাঠগুলোর একটা বানিয়েছে।
আমাদের দেশে এই কাজের কেন্দ্র মৌলভীবাজারের বড়লেখা, বিশেষ করে সুজানগর ইউনিয়ন। চলছে প্রায় চারশো বছর ধরে। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ আগর কারখানা ওই এক উপজেলাতেই। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মৌলভীবাজারের আগর আর আগর-আতর, দুটোই বাংলাদেশের জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পেয়েছে।
গ্রেড
আরোয়ার এই ব্যাচটি ট্রিপল সুপার গ্রেডের। রেজিন স্যাচুরেশন গ্রেডিং সিস্টেমে সুপার, ডাবল সুপার আর ট্রিপল সুপার, এই তিনটে ধাপের মধ্যে এটাই সর্বোচ্চ।
গ্রেডের নামের চেয়ে প্রমাণ বেশি জরুরি, আর সেই প্রমাণ আপনি নিজেই দেখতে পারবেন।
কীভাবে জ্বালাবেন
চারকোল লাইটার দিয়ে উত্তপ্ত করার পর ধূসর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ওই পাতলা ছাইয়ের স্তরটাই ন্যাচারাল হিট ফিল্টার হিসেবে কাজ করে, কয়লার অতিরিক্ত তাপ সরাসরি কাঠে পৌঁছাতে দেয় না। এই অপেক্ষাটা না করলে কাঠ পুড়ে যাবে, ঘ্রাণ পাবেন না।
এরপর চিপসটা কয়লার ওপর আলতো করে রাখুন। পরক্ষণেই দেখবেন গাঢ় ঘন রেজিন বুদবুদ করে বেরিয়ে আসছে। ধোঁয়া হবে ধূসর-সাদা, চোখে লাগলে জ্বলবে না, সাধারণ কাঠ পোড়ার মতো অস্বস্তিও হবে না।
তাপ আরও কমাতে চাইলে কয়লার ওপর ছোট এক টুকরো ফয়েল বা মাইকা শিট বসিয়ে তার ওপর চিপস রাখুন। অনেকক্ষণ ধরে ঘ্রাণ পাবেন।
ঘ্রাণ
শুরুতে পাবেন কাঠ আর রেজিনের স্নিগ্ধ উষ্ণতা। তারপর যোগ হবে আভিজাত্যময় ধোঁয়াটে নোট। শেষে হালকা মিষ্টি এক আবেশ চারপাশটা ঘিরে ধরবে। ধোঁয়া মিলিয়ে যাওয়ার পরও ঘরে সেই রেশ থেকে যায় অনেকক্ষণ।
প্রতিটা টুকরো যেহেতু প্রাকৃতিক, রেজিনের বিস্তারও একেকটায় একেক রকম। তাই প্রতিবার ঘ্রাণ একটু আলাদা লাগবে। এটাই আসল জিনিসের চিহ্ন, মেশানো বাখুরে এই বদলটা পাবেন না।
সংরক্ষণ
বাতাসবন্ধ পাত্রে, রোদ আর গরম থেকে দূরে রাখুন। ঠিকভাবে রাখলে বছরের পর বছর ভালো থাকবে, বরং সময়ের সঙ্গে রেজিন আরও বসে আসবে।
কীভাবে জ্বালাবেন
কয়লা ধূসর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা
চারকোল লাইটার দিয়ে উত্তপ্ত করার পর ধূসর হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ওই পাতলা ছাইয়ের স্তরটাই ন্যাচারাল হিট ফিল্টার হিসেবে কাজ করে, কয়লার অতিরিক্ত তাপ সরাসরি কাঠে পৌঁছাতে দেয় না। এই অপেক্ষাটা না করলে কাঠ পুড়ে যাবে, ঘ্রাণ পাবেন না।
চিপস কয়লার ওপর রাখুন
এরপর চিপসটা কয়লার ওপর আলতো করে রাখুন। পরক্ষণেই দেখবেন গাঢ় ঘন রেজিন বুদবুদ করে বেরিয়ে আসছে। ধোঁয়া হবে ধূসর-সাদা, চোখে লাগলে জ্বলবে না, সাধারণ কাঠ পোড়ার মতো অস্বস্তিও হবে না।
ফয়েল বা মাইকা শিট
তাপ আরও কমাতে চাইলে কয়লার ওপর ছোট এক টুকরো ফয়েল বা মাইকা শিট বসিয়ে তার ওপর চিপস রাখুন। অনেকক্ষণ ধরে ঘ্রাণ পাবেন।
রিভিউ
ক্রেতারা যা বলছেন
এখনো কোনো রিভিউ নেই। প্রথম অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।

